মরিলে হাসিবে তুমি কাঁদিবে ভূবন
বিনোদন ডেস্ক :নায়করাজ রাজ্জাক, ১৯৬৬ সালের ২৮ অক্টোবর ‘বেহুলা’ চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে নায়ক হিসেবে রূপালি পর্দায় পা রাখেন। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সোমবার রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে সন্ধ্যা ৬টা ১৩ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। এক নজরে জেনে নেয়া যাক তাঁর জীবনী :
এক নজরে রাজ্জাক
নাম : আবদুর রাজ্জাক।
উপাধি : নায়করাজ (উপাধি দিয়েছিলেন চিত্রালি সম্পাদক আহমেদ জামান চৌধুরী)।
জন্ম : ২৩ জানুয়ারি, ১৯৪২।
জন্মস্থান : নাকতলা, দক্ষিণ কলকাতা, ভারত।
জাতীয়তা : বাংলাদেশি।
বাবা : আকবর হোসেন।
মা : নিসারুননেছা।
স্ত্রী: খাইরুন্নেছা (ভালোবেসে লক্ষ্মী বলে ডাকতেন)।
সন্তান : বাপ্পারাজ (রেজাউল করিম), নাসরিন পাশা শম্পা, রওশন হোসেন বাপ্পি, আফরিন আলম ময়না, খালিদ হোসেইন সম্রাট।
পেশা : অভিনেতা, প্রযোজক, পরিচালক।
অভিনয়ের শুরু : কলকাতার খানপুর হাইস্কুলে সপ্তম শ্রেণিতে পড়াকালীন সরস্বতীপূজায় মঞ্চনাটকে। গেম টিচার রবীন্দ্রনাথ চক্রবর্তী তাঁকে বেছে নিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় চরিত্রে। প্রথম অভিনীত নাটক ‘বিদ্রোহী।’
সিনেমায় প্রবেশ : কলেজজীবনে ‘রতন লাল বাঙালি’ সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে। এ ছাড়া কলকাতায় ‘পঙ্কতিলক’ ও ‘শিলালিপি’ নামে আরও দুটি সিনেমায় অভিনয় করেন।
বাংলাদেশে আগমন : ১৯৬৪ সালে কলকাতায় হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গার কারণে পরিবার নিয়ে ঢাকায় চলে আসেন।
ঢালিউডে নায়ক হিসেবে প্রথম চলচ্চিত্র : জহির রায়হানের ‘বেহুলা’।
প্রথম নায়িকা : সুচন্দা।
জুটি হিসেবে জনপ্রিয় নায়িকা : কবরী
নায়ক হিসেবে শেষ ছবি : ১৯৯০ সাল পর্যন্ত নায়ক হিসেবে অভিনয় করেছেন। শেষ ছবি ‘মালামতি’। নায়িকা ছিলেন নূতন।
চরিত্রাভিনেতা হিসেবে অভিনয় : ১৯৯৫ সাল থেকে।
উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র : ‘এতটুকু আশা, ‘নীল আকাশের নিচে, ‘জীবন থেকে নেয়া, ‘নাচের পুতুল, ‘পিচঢালা পথ, ‘আবির্ভাব, ‘দ্বীপ নেভে নাই, ‘টাকা আনা পাই, ‘রংবাজ, ‘আলোর মিছিল, ‘অশিক্ষিত, ‘ছুটির ঘণ্টা, ‘চন্দ্রনাথ’, ‘শুভদা, ‘রাজলক্ষ্মী শ্রীকান্ত’।
পুরস্কার : নায়করাজ রাজ্জাক পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার পান। এছাড়া ইন্দো-বাংলা কলা মিউজিক পুরস্কার, বাচসাস পুরস্কার, আজীবন সম্মাননা (চলচ্চিত্র), ইফাদ ফিল্ম ক্লাব পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন। যেসব চলচ্চিত্রে জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন সেগুলো হলো : কি যে করি (১৯৭৬), অশিক্ষিত (১৯৭৮),বড় ভালো লোক ছিল (১৯৮২), চন্দ্রনাথ (১৯৮৪), যোগাযোগ (১৯৮৮), আজীবন সম্মাননা ২০১৩ ও মেরিল-প্রথম আলো আজীবন সম্মাননা -২০১৪।













