বৃহস্পতিবার, ১৩ই জুলাই, ২০১৭ ইং ২৯শে আষাঢ়, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ-ভারত অদ্ভুত বন্ধুত্ব

AmaderBrahmanbaria.COM
জুলাই ১১, ২০১৭

---

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ-ভারত বন্ধু রাষ্ট্র। পার্শ্ববর্তী দেশ হিসেবে শুধু বন্ধু নয়, তার চেয়েও বেশি। মুক্তিযুদ্ধে ভারত বাংলাদেশকে যে সহযোগিতা করেছে তা ইতিহাসে বিরল কিন্তু সেই বন্ধু দেশ কতটুকু আপন তা বর্ষা আর খরার সময় বোঝা যায়।

শুষ্ক মৌসুমে ভারত বাঁধের মাধ্যমে পানি আটকে রাখে। ফলে বাংলাদেশ তখন মরুভূমিতে পরিণত হয়। আর বর্ষার সময় বাঁধ খুলে দেয় তাতে বাংলাদেশ ডুবে যায়। এভাবেই ভারত নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করে বাংলাদেশের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখছে।

খরার সময় ভারত বাঁধ আটকে রাখে। তখন বাংলাদেশের কৃষকরা পানির অভাবে ফসল ফলাতে পারে না। পানির জন্য হাহাকার করে। তখন ভারত পানি দেয় না। আর যখন বর্ষকাল আসে তখন ভারত নিজেদের স্বার্থে ফারাক্কা বাঁধ খুলে দেয়। আর তাতেই বাংলাদেশের লাখ লাখ মানুষ পানি বন্দী হয়ে চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিন কাটায়। এটাই হলো বাংলাদেশ ভারতের বন্ধুত্বের নমুনা।

সম্প্রতি প্রবল বর্ষণে ভারতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় গজলডোবা বাঁধের সব কটি গেট খুলে দিয়েছে দেশটি। এতে ভারত থেকে ধেয়ে আসছে বানের পানি। হঠাৎ করে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়ে দেশের উত্তরাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে।

এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ি, টেপাখড়িবাড়ি, খালিশা চাঁপানী, ঝুনাগাছ চাঁপানী, গয়াবাড়ি ও জলঢাকা উপজেলার গোলমুণ্ডা, ডাউয়াবাড়ি, শৌলমারী ও কৈমারী ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকার ২৫টি চর ও গ্রামের ১৫ হাজার পরিবার বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া পার্শ্ববর্তী লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা, কালিগঞ্জ উপজেলার নদী বেষ্টিত চর ও গ্রামগুলো প্লাবিত হয়েছে। উজান থেকে এভাবে ঢলের পানি ধেয়ে এলে পুরো উত্তরাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বিডি২৪লাইভকে বলেন, আমাদের যখন পানির দরকার আমারা পাই না, যখন দরকার নাই তখন দেয়। এইটা কোন বন্ধুত্ব স্বরূপ সম্পর্ক হতে পারে না।

এ জাতীয় আরও খবর