বুধবার, ১লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ইং ১৯শে মাঘ, ১৪২৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো সময় চীনের যুদ্ধ হতে পারে : চীনা সেনা কর্মকর্তা

AmaderBrahmanbaria.COM
জানুয়ারি ৩০, ২০১৭

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো সময় চীনের যুদ্ধ হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন চীনের এক সেনা কর্তকর্তা। তিনি বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের যুদ্ধ বেধে যাওয়াটাই দিন দিনকে ‘প্রায়োগিক বাস্তবতা’ হয়ে উঠছে।

বিষয়টি এখন শুধু আর স্লোগানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। এমনটাই বলেছেন, চীনের এক সিনিয়র সেনা কর্মকর্তা।তার এই মন্তব্যটি প্রকাশিত হয়েছে চীনের পিপলস’স লিবারেশন আর্মির ওয়েবসাইটে। যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের দিক থেকে চীনের প্রতি আগ্রাসী মনোভাবের প্রেক্ষিতে এই মন্তব্য করেন তিনি।

তার এই মন্তব্যে চীনা সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল মিলিটারি কামিশনের দৃষ্টিভঙ্গিই প্রতিফলিত হচ্ছে। ওই কমিশনই চীনের সেনাবাহিনীর সার্বিক কর্তৃত্বের অধিকারী। এই সেনা কর্মকর্তা ওই কমিশনের ডিফেন্স মোবিলাইজেশন ডিপার্টমেন্টের একজন কর্মকর্তা।

তিনি লিখেছেন, “মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় থাকা কালেই বা আজ রাতেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের যুদ্ধ বেধে যাওয়াটা এখন আর শুধু স্লোগান নয় বরং দিনকে দিন তা প্রায়োগিক বাস্তবতা হয়ে উঠছে। ”

ওই কর্মকর্তা উত্তেজনাপূর্ণ দক্ষিণ এবং পূর্ব চীন সাগরেও সেনা মোতায়েনের আহ্বান জানিয়েছেন। এবং কোরীয় উপদ্বীপকে সুরক্ষিত করার জন্যও একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানান।তিনি আরো লেখেন, যুক্তরাষ্ট্রেরও উচিত এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে এর কৌশল পুনর্বিবেচনা করে দেখা।

মি. ট্রাম্প এবং তার প্রশাসনের সদস্যরা চীনের বিরুদ্ধে অনবরত শক্ত অবস্থান গ্রহণ করে আসছিল। ট্রাম্প চীনকে ‘মুদ্রা জালিয়াত’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। এ ছাড়া চীনের বিরুদ্ধে অবৈধ ব্যবসা এবং অর্থনৈতিক দুর্নীতির অভিযোগও করেন ট্রাম্প।এ ছাড়া ট্রাম্প তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপন করে চীনের অখণ্ডতার নীতির প্রতিও বুড়ো আঙুল প্রদর্শন করেছেন।

তাইওয়ানকে মনেপ্রাণেই নিজের ভূখণ্ডের অংশ বলে মনে করে চীন। আর যুক্তরাষ্ট্রও বিষয়টি নিয়ে এতদিন চুপচাপ ছিল। কিন্তু ট্রাম্প ক্ষমতায় এসে সে নীতিতে পরিবর্তন আনার ইঙ্গিত দিলেন।

ট্রাম্পের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসেনও দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের তৈরি কৃত্রিম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর অবরোধ আরোপের পরামর্শ দেন। আর বেইজিং একে একটি যুদ্ধমূলক তৎপরতা হিসেবেই বিবেচনা করবে।

বিদেশ ডেস্ক