g মিয়ানমার যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, চুক্তি হবে চারটি | AmaderBrahmanbaria.Com – আমাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া

শনিবার, ৭ই অক্টোবর, ২০১৭ ইং ২২শে আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

মিয়ানমার যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, চুক্তি হবে চারটি

AmaderBrahmanbaria.COM
অক্টোবর ৪, ২০১৭
news-image

---

নিজস্ব প্রতিবেদক :মিয়ানমার সফরে যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। এই সফরে নিরাপত্তাসহ দ্বিপক্ষীয় চারটি বিষয়ে সমঝোতা স্মারক (এমইও) সই হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

সফরের তারিখ এখনো ঠিক হয়নি। তবে সফরের সময় মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গাদের সুষ্ঠুভাবে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া এবং মৌলিক অধিকারকে নিশ্চিত করতে পারাটাই হবে মূল লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

কয়েক মাস আগেই মিয়ানমার সরকার আমন্ত্রণ জানিয়েছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজামান খাঁন কামালকে। আর ২ অক্টোবর সফরের বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে যায়। এরপরই শুরু হয় প্রস্তুতি। প্রতিনিধিদলে থাকছেন বিজিবি ও কোস্টগার্ডের মহাপরিচালকসহ বেশ কয়েকজন সদস্য। রোহিঙ্গাদের বিষয়ে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ কীভাবে কাজ করবে তা নির্ধারণই হবে প্রতিনিধিদলের মূল কাজ। একই সঙ্গে কক্সবাজারের ক্যাম্পগুলোতে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের পরিচয় শনাক্তের বিষয়েও যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ কাজ করবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

একান্ত সাক্ষাৎকারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল এনটিভিকে বলেন, ‘চারটি এমইও সাইন করার বিষয় ছিল। সেগুলো হবে। এটা একটা ডিসাইডেড ইস্যু ছিল। যেমন : নাফ নদীর সীমারেখা নিয়ে কথা ছিল। বর্ডার অব ফিস, বর্ডার লিয়াজোঁ অফিস (বিএলও), আরো ছিল বর্ডারের সিকিউরিটি সংক্রান্ত বিষয় কিছু। মানে সিকিউরিটি ডায়ালগ অ্যান্ড কো-অপারেশন। এগুলো নিয়ে চারটি এমইও সাইন হওয়ার কথা রয়েছে।’

নিরাপত্তাবিষয়ক চুক্তিগুলো সম্পন্ন হলে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সম্পর্ক আরো জোরদার হবে বলে মনে করেন মন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘(মিয়ানমারের) ইউনিয়নমন্ত্রী এসেছিলেন। তিনি আমাকে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন। তাঁদের হোম মিনিস্ট্রি থেকে একটা পত্র নিয়ে এসেছেন।

বর্তমানে যে পরিস্থিতি, সেটা নিয়েও কথাবার্তা হবে। আমরা যেজন্য যাব, তার এজেন্ডা ঠিক হবে। এজেন্ডা ঠিক হওয়ার পরে ডেট ঠিক করে আমরা যাব।’

এজেন্ডা কোন দিকে মূলত ফোকাস হতে পারে জানতে চাইলে আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, ‘এজেন্ডা তো, আমরা আমাদের প্রবলেমের কথা বলবই। আমাদের ওপরে নতুন করে আরো পাঁচ লক্ষাধিক অনুপ্রবেশকারী, যারা নাকি মিয়ানমার থেকে চলে আসছে, তাদেরকে ফেরত কীভাবে নেবে, কত তাড়াতাড়ি নেবে সেটাই আমাদের মূল ডায়ালগ হবে।’

রোহিঙ্গাদের মানবিক আবেদনের বিষয়টি তুলে ধরতে পারা বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সংলাপ এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় সারা বিশ্বে এই ইস্যুটি যেভাবে নজর কেড়েছে তার সবকিছুই সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শিতার জন্য বলে মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

এ জাতীয় আরও খবর