বৃহস্পতিবার, ২১শে জুন, ২০১৮ ইং ৭ই আষাঢ়, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

নারীর অপছন্দের পুরুষ কারা?

choice manসময় পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যাচ্ছে সামাজিক রীতিনীতি ও অনুশাসন। একটা সময় ছিল যখন জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে নারীদের মতামতের কোন মুল্যই দেয়া হতো না। এখন সেই অনুশাসন বদলে গেছে। বর্তমান সময়ে জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে পরিবার নারীর পছন্দকেই গুরুত্ব দেয় বেশি। বিশেষ করে শহরের মেয়েদের ক্ষেত্রেতো তাদের মতামত ছাড়া জীবনসঙ্গী নির্বাচন করা হয়ই না। তবে গ্রামের মেয়েদের ক্ষেত্রে মা-বাবার পছন্দের প্রার্থিকে চাপানোর প্রবণতা এখনো কোথাও কোথাও লক্ষ্য করা যায়। সময় বিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এই ধরণের জুলুম-নির্যাতনও হয়তো নি:শেষ হয়ে যাবে।

তবে শহুরে হোক আর গ্রামেই হোক, জীবনসঙ্গী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে নারীর যেমন পছন্দ রয়েছে, তেমনি অপছন্দও রয়েছে।

জেনে নিন নারীর অপছন্দের পুরুষ কারা।



নারী বিদ্বেষী: নারী বিদ্বেষী পুরুষদেরকে কোনো নারী পছন্দ করেন না। যে পুরুষ সারাক্ষণ নারী সহকর্মী, বান্ধুবী, কিংবা নিকট নারী আত্মীয় সম্পর্কে খারাপ মন্তব্য করেন, নারীদের পোশাক এমনকি চরিত্র নিয়ে নেতিবাচক কথা বলেন সেসব পুরুষ থেকে নারীরা দূরে থাকতে পছন্দ করেন।



ছিঁচ কাঁদুনে: কিছু কিছু পুরুষ আছেন প্রেমিকা একটু দেরিতে ফোন ধরলেই কেঁদে বুক ভাসিয়ে ফেলেন। এসব ছিঁচ কাঁদুনে পুরুষদেরকে নারীরা মোটেও পছন্দ করেন না।



হাড় কিপ্টে: হাড় কিপ্টে পুরুষদের কোটি টাকা থাকলেও এরা বন্ধু-বান্ধুবীর সঙ্গে রেষ্টুরেন্টে খেয়ে এক কাপ চায়ের বিল দিতে চায় না। হাড় কিপ্টে পুরুষদের পকেট থেকে এক টাকা বের করে আনা কষ্টকর ব্যপার। এসব পুরুষ থেকে নারীরা দশ হাত দূরে থাকতে চায়।



অতিরিক্ত মা ঘেষা: নিজের মাকে যে পুরুষ শ্রদ্ধা করেন, সে অন্য নারীকেও শ্রদ্ধা করেন। মাকে ভালোবাসেন এমন পুরুষ নারীর পছন্দের শীর্ষে। কিন্তু কিছু কিছু পুরুষ আছেন যারা মাকে অতিরিক্ত শ্রদ্ধা-ভক্তি করেন, মায়ের কথা ছাড়া এক ইঞ্চি জায়গা নড়াচড়া পর্যন্ত করেন না, সেসব পুরুষদেরকে নারীরা একেবারে অপছন্দ করেন।



অসামাজিক পুরুষ: এরা নিজেও আত্মীয়-স্বজন, পরিবার-প্রতিবেশী থেকে দূরে থাকে। এবং তারা চায় তার জীবনসঙ্গীও যেন সবার কাছ থেকে দূরে থাকুক। এমন অসামাজিক পুরুষদেরকে কোনো নারী পছন্দ করেন না।



কুটনা স্বভাবের: কুটনা স্বভাবের পুরুষেরা সারাক্ষণ নিজের বন্ধু-বান্ধুবী, আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী এমনকি নিজের আপন ভাই বোনের নামেও হিংসাত্মক কথা বলে বেড়ায়।



বন্ধু-পাগল: বন্ধু-বান্ধুবী নেই এমন পুরুষদেরকে নারীরা যেমন পছন্দ করেন না, ঠিক তেমনি বন্ধু পাগল পুরুষদেরকেও পছন্দ করেন না।



ফ্লাটিং: যেকোন নারীর সঙ্গেই এরা ফ্লাটিং করে বেড়ায়। বিয়ের পরও এদের চরিত্রের কোনো পরিবর্তন হয় না। এদের কাছে সম্পর্কের সততা বলে কিছু নেই।



দায়িত্বজ্ঞানহীন: এরা কোনো দায়িত্ব নিতে চায় না। এরা সব সময় অন্যের কাধে দায়িত্ব দিয়ে নিজে দায়ভার মুক্ত থাকতে পছন্দ করেন। বিয়ের পর এসব পুরুষেরা সংসারের বাজার থেকে শুরু সব দায়িত্ব সঙ্গীনীর কাধে চাপিয়ে দেয়।



অর্থলোভী: এদের কাছে সব কিছুর উর্ধে অর্থ। এরা অর্থের কারণে নিজের স্ত্রীকে অন্যের কাছে বিক্রি করতে একটুও দ্বিধা করেন না। এসব পুরুষদের কথায় সব সময় টাকার বিষয়টি প্রাধান্য পায়। এসব পুরুষদেরকে নারীরা মোটেও পছন্দ করেন না।



ন্যাকামী টাইপের: এরা সব সময় নিজেকে বারো বছরের বাচ্চা মনে করেন। এদের আচার-আচরন, কথা-বার্তায় সব সময় শিশুসুলভভাব প্রকাশ পায়। এমন ন্যাকা টাইপের পুরুষদের সঙ্গে খানিকটা সময় কাটালে নিজের প্রতি বিরক্ত চলে আসে।



যৌন লালসাপূর্ণ: এসব পুরুষ পরিচিত হোক আর অপরিচিত হোক যেকোন নারীর শরীর স্পর্শ করতে পারলে নিজেকে ধন্য মনে করেন। যৌনতা বিষয়ক কথাবার্তা বলতে এরা পছন্দ করেন।

 

Print Friendly, PDF & Email