g যৌনকর্মী আর নেশার রাজত্ব রাজধানীর বিনোদন কেন্দ্রগুলো | AmaderBrahmanbaria.Com – আমাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া

সোমবার, ১৭ই জুলাই, ২০১৭ ইং ২রা শ্রাবণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

যৌনকর্মী আর নেশার রাজত্ব রাজধানীর বিনোদন কেন্দ্রগুলো

AmaderBrahmanbaria.COM
জুলাই ১৫, ২০১৭

---

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর সরোয়ারদি উদ্যান, ঢাকা মেডিকেল দোয়েল চত্বরসহ ভিবিন্ন এলাকায় চলছে প্রকাশ্যে নেশার আড্ডা। বিনোদন কেন্দ্র বলতে আমরা পার্ক গুলোকে বুঝে থাকি। আর আজ সেই পার্কে বিনোদনের নামে চলে অশ্লীলতা আর নেশার আড্ডা। ঢাকা মেডিকেলের আসে পাশে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তার পাশেই হরহামিসেই ফেন্সিডিলের বোতল পড়ে থাকে। আর প্রকাশ্যে চলে মাদক সেবন। দেখেও বলার কিছুই থাকে না।

এ বিষয়ে এলাকার বোতল টোকাই জামালের সাথে কথা হয় বিডি২৪লাইভ’র। বিডি২৪লাইভকে জামাল জানান, প্রতিদিন এমন বোতল পরে থাকে। আমি এগুলা নিয়ে দোকানে বিক্রি করে আয় করি। ঢাকা মেডিকেলের সামনে ভাতের দোকানের আসে পাশে গাজা, ইয়াবা বিক্রি করে এইটা নতুন কিছু না, সবাই জানে।

নেশা দ্রব্য এখন ভাত মাছের মত হয়ে গিয়েছে, হাত বাড়ালেই পাওয়া যায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ছাত্র বলেন, বর্তমানে নেশার দ্রব্য পাওয়া কোন ব্যাপার না। টাকা হলে নাকি সবই পাওয়া সম্ভব এই নগরীতে। প্রশাসনের সামনেই প্রতিদিন হাজার টাকার নেশা বিক্রি হচ্ছে। মাথা ব্যথা নেই যেন কারো।

নগরীর বিনোদন কেন্দ্র গুলোতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নেশার আড্ডা চলছে দিনে রাতে। সরোয়ারদি উদ্যানে এক পাশে পুলিশ হাঁটছে, ঠিক তারা পাশে গাঁজা সেবন করছে কলেজ পোশাক পরা কিছু যুবকসহ নানা শ্রেণির লোকজন।

বিনোদন কেন্দ্রের খুব পরিচিত এক নামকে বলা হয়, মিরপুর এক নম্বর বোটানিকেল গার্ডেন। সেখানে প্রায় সব ধরনের অনৈতিক কর্মকান্ড হয় প্রশাসনের নাকের ডগার উপর। দিনের বেলা স্কুল কলেজের ছাত্ররা ক্লাস ফাকি দিয়ে গার্ডেনে আসে নেশা করার জন্য। আবার রাতেও অনেক বখাটে গার্ডেন ঢুকে নেশায় মেতে উঠে বলেও জানাগেছে। কোন ভাবেই থামছেনা এই নেশার নৈরাজ্য। রাত হলেই আবার এক শ্রেণির মানুষের আনাগোনা শুরু হয়ে যায়। গভীর রাত পযর্ন্ত চলে এই আড্ডা আর ব্যবসা।

অন্যদিকে চদ্রিমা উদ্দ্যানে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় আরেক এলাহী কারখানা। গাঁজা সেবন যেন ভর্তাভাজি। প্রকাশ্যে বিক্রি হয় গাঁজা। আর সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে রাতের রমনীদের আনাগোনাও বেড়ে যায়। এখানে বিভিন্ন ভাবে চলে নারীদের দেহ ব্যবসা।

তেজগাঁও কলেজের সামনে ফার্মগেট পার্ক অনেক আগের থেকেই রয়েছে যৌনকর্মীদের দখলে। আর এখানে যৌনকর্মীরাই আবার বিক্রি করছে মাদক। অন্য দিকে বিলিয়ে দিচ্ছে নিজেকে।

রমনা পার্ক ঘুরে দেখাযায় লালন বেশে ঘুরছে অনেক নেশায় আসক্ত মানুষ। বিনোদন পার্কের এই সব বেহাল অবস্থায় বিরক্ত সাধারন পেশার জনগণ।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সজিব রাহমান বিডি২৪লাইভকে বলেন, রাজধানীর কোন পার্কে পরিবার নিয়ে ঘুরার মতো অবস্থা নেই। ছিনতাই যেমন কমেছে, ঠিক তার দিগুণ বেড়েছে মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনের সংখ্যা।

দেশের এমন অবস্থা চলতে থাকলে আগামী প্রজন্ম পড়বে হুমকির মুখে। আর এর থেকে মুক্তি মিলবে কি করে সেটাই প্রশ্ন তুলেছেন অভিজ্ঞ মানুষেরা।