g মিলছে নারী দেহ মিলছে স্যান্ডউইচের দামে! | AmaderBrahmanbaria.Com – আমাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া

রবিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০১৭ ইং ১৪ই কার্তিক, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

মিলছে নারী দেহ মিলছে স্যান্ডউইচের দামে!

AmaderBrahmanbaria.COM
নভেম্বর ২৮, ২০১৫
news-image

---

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : গ্রীসের অর্থনীতিতে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে নাজুক অবস্থা চলছে। দুই মেয়াদে ক্ষমতায় এসেও সাইপ্রাস সরকার অবস্থার উন্নয়ন ঘটাতে পারেনি। বরং দিন দিন আরও বাড়ছে বেকারত্ব। কাজ না পেয়ে তরুণীরা নিজের শরীর পর্যন্ত বিকিয়ে দিচ্ছেন ক্ষুধার যন্ত্রনায়।
 


গোটা দেশটার আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি ঠিক কতটা করুণ তার চিত্রটা পাওয়া যাচ্ছে সে দেশের তরুণীদের এ অবস্থা থেকে।

 


চাকরি নেই। ক্ষুধার মুখে চিজ বা একটা স্যান্ডউইচ কেনার ক্ষমতাও নেই তাদের। বাধ্য হয়ে শরীর বেচছেন তারা।

 


নতুন এক সমীক্ষা অনুযায়ী এই মুহূর্তে ১৭ হাজার গ্রীক তরুণী বাধ্য হয়ে যৌন পেশায় যুক্ত হয়েছেন। সবচেয়ে সস্তায় নিজের শরীর তুলে দিচ্ছেন অন্যের হাতে। সমগ্র ইউরোপে গ্রীসের যৌনকর্মীরা এখন অন্যতম 'সস্তা'।

 


প্যান্টেনিয়ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞানের অধ্যাপক গ্রেগরি ল্যাক্সোসের কথায় 'কিছু নারী এই পেশায় জড়াচ্ছেন শুধুমাত্র একটা চিজ পাই বা স্যান্ডউইচ কেনার' জন্য। কারণটা খুব সাধারণ। তারা ক্ষুধার্ত।

 


দুবছর আগেও যৌনকর্মীদের গড় রেট ছিল ৫০ ইউরো। কিন্তু এখন প্রয়োজন খিদেটুকু মেটানো। তাই মাত্র দুই ইউরোর বিনিময়েই ৩০ মিনিটের জন্য শরীর বিক্রিতে রাজি হয়ে যাচ্ছেন সে দেশের তরুণীরা।

 


গত ২০০২ সালে দ্রাখমা ছেড়ে ইউরোকে মুদ্রা হিসেবে মেনে নেয় গ্রীস। সরকার দাবি করে এর ফলে কমেছে মুদ্রাস্ফীতি, বেড়েছে জিডিপি। কিন্তু ২০০৯ সালে সেই সরকারই ঘোষণা করে আর্থিক উন্নয়নের পুরো গল্পটাই নাকি ভুয়া ছিল।

 


অনলাইনে পর্ন ভিডিওর রমরমার যুগে সারা পৃথিবীতেই আয় কমছে যৌনকর্মীদের। গ্রীসে দেহ ব্যবসা আইনত সিদ্ধ। ইউরোপে বেশ কিছু দেশে এখনো বেআইনি যৌনপেশা। ফলে বহু দিন আগে থেকেই বিশেষত, পূর্ব ইউরোপের বহু তরুণী দেহব্যবসার জন্য গ্রীসে জড়ো হন। কিন্তু গত তিন বছরে আর্থিক পরিস্থিতির এতটাই অবনতি হয়েছে যে গ্রীসের সাধারণ নাগরিকরা অনেক বেশি এই পেশায় জড়িয়ে পড়ছেন।

এ জাতীয় আরও খবর