শুক্রবার, ৩১শে মার্চ, ২০১৭ ইং ১৭ই চৈত্র, ১৪২৩ বঙ্গাব্দ

খারাপ অভ্যাস ত্যাগ করুন ৫টি উপায়

AmaderBrahmanbaria.COM
মার্চ ২৯, ২০১৭

লাইফস্টাইল ডেস্ক : গত কয়েকদিন আগেই নানা অনুষ্ঠান উদযাপনের মাধ্যমে ২০১৫ সালকে বরণ করে নিয়েছে গোটা বিশ্ব। নতুন বছর মানেই পুরাতন সবকিছু ভুলে নতুনভাবে পথচলা শুরু করা। কিন্তু নতুনভাবে চলতে হলে প্রথমত আপনাকে খারাপ অভ্যাসগুলো ত্যাগ করতে হবে। তবে বাস্তবতা হচ্ছে, আপনি যদি একবার কোনও কিছুতে অভ্যস্ত হয়ে যান তা থেকে বেরিয়ে আসা বড় কঠিন। তবে চেষ্টা করলে কোনও কিছুই অসম্ভব নয়। জীবনে ভালো থাকার জন্যে একটু কষ্ট তো করাই যায়। আসুন, খারাপ অভ্যাস দূর করার বিস্ময়কর ৫টি উপায় সম্পর্কে জেনে নিই।

১.অধিক সচেতন হওয়া: খারাপ অভ্যাস ত্যাগ করার প্রথম শর্ত হচ্ছে, আপনাকে অনেক বেশি সচেতন হতে হবে। তা নাহলে আপনি জানতে পারবেন না আসলে আপনি ঠিক করছেন না ভুল করছেন। আগে আপনি নিজে সচেতন হোন। তারপর একাকী বসে আপনার খারাপ অভ্যাসগুলো চিহ্নিত করুন। এরপর তা এড়িয়ে চলুন।

২.বিকল্প অপশন খোঁজা: আপনার যদি একটি খারাপ অভ্যাস থাকে তাহলে সেটি থেকে বিরত থাকার জন্যে একটি বিকল্প উপায় খুঁজে বের করা। যেমন: বিশিষ্ট মনোবিজ্ঞানী আর্ট মার্কম্যান বলেছেন, তার একটি খারাপ অভ্যাস ছিল। তিনি যখন পড়তে বসতেন বা ডেস্কে কোনও কাজ করতেন তখন তিনি নখ কামড়াতেন। পরবর্তীতে তিনি মনে করলেন এ অভ্যাস দূর করা দরকার। তখন তিনি একটি বিকল্প পদ্ধতি বের করলেন। সেটি হচ্ছে তিনি যখন পড়তে বসতেন বা ডেস্কে বসতেন তখন কাজের ফাঁকে হাতে ছোট খেলনা নিয়ে খেলতেন বা নাড়াচাড়া করতেন।

৩.ঘটনা থেকে শিক্ষা নেয়া: ধরুন আপনি কারও সামনে আপনার খারাপ অভ্যাসের কিছু নমুনা প্রদর্শন করেছেন। এ দেখে অন্যান্যরা খুবই অখুশি। এ নিয়ে তারা আপনার সম্পর্কে বিভিন্ন রকমের বাজে মন্তব্য করেছে। আপনি এসব ঘটনা থেকে শিক্ষা নিন। এরপর যারা আপনার সামনে বাজে মন্তব্য করেছে তাদের সামনে ভাল কিছু করে দেখান বা আপনার ভাল অভ্যাসের নমুনা প্রদর্শন করুন।

৪.কঠোর চেষ্টা করা: মনোবিজ্ঞানী মার্কম্যান বলেছেন, আমাদের প্রধান সমস্যা হচ্ছে, আমরা যখন খারাপ অভ্যাস পরিবর্তন করে ভালো অভ্যাস গড়ে তুলতে চায় তখন আমরা বেশি কষ্ট করতে চায় না এবং এর পেছনে বেশি সময় ব্যয় করতে চায় না। আমাদের শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করা উচিৎ। আপনার এক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যার মোকাবেলা করতে হতে পারে। এসব সমস্যা দেখে কখনও পিছিয়ে যাবেন না।

৫.কিছু মাধ্যম সৃষ্টি করা: মনে করুন আপনি ফোনের উপর দারুণভাবে আসক্ত। এটি আপনার ক্ষতি করছে। আবার এটি না হলে আপনার প্রয়োজনীয় কাজও চলছে না। এখন আপনি একটি নির্দিষ্ট সময় ঠিক করুন এবং শুধু তখন ফোন ব্যবহার করবেন। বাকী সময় ফোন মোটে কাছেই রাখবেন না। তাহলে আর ফোন ব্যবহার করতে হবে না।